প্রথম পাতা » Featured » ছুটির সুযোগে স্কুলের গাছ কেটে সাবাড় করলেন বেরইল চেয়ারম্যান

ছুটির সুযোগে স্কুলের গাছ কেটে সাবাড় করলেন বেরইল চেয়ারম্যান

ছুটির সুযোগে স্কুলের গাছ কেটে সাবাড় করলেন বেরইল চেয়ারম্যান

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে মাগুরার চেঙ্গারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্ত¡রের কয়েকলক্ষ টাকার ৩টি গাছ কেটে আত্মসাথের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলেন ইউপি চেয়ারম্যান মহব্বত আলি। এলাকাবাসির অভিযোগ রাস্তা নির্মাণের ধুয়ো তুলে ওই আওয়ামীলীগ নেতা এখন পার পাবার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

মাগুরা সদর উপজেলার ওই বিদ্যালয়টির শিক্ষিকা বিভাবতী রায় জানান, ১৯৮৬ সালে তার শ্বশুরের দানকৃত জমিতে বিদ্যালয়টি গড়ে ওঠে। এ সময় তিনি নিজ হাতে বিদ্যালয়ের সীমানা ঘিরে বেশকিছু গাল লাগান। যেসব গাছের নীচে বিদ্যালয়ের শিশুরা অবসর সময়ে খেলাধূলা করে থাকে। গরমের সময়ে বিদ্যালয়ের ক্লাসও নেওয়া হতো এসব গাছের নীচে। কিন্তু বেরইল পলিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহব্বত আলি মঙ্গলবার দুটি বাবলা ও আরেকটি রেইনট্রি গাছ কেটে ফেলেছেন। বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে গিয়ে গাছগুলো কাটা অবস্থা দেখি। নির্বিচারে গাছগুলো কেটে ফেলায় এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ছায়াহীন ক্লাসে শিশুদের থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

প্রধান শিক্ষক নুর আলী বিশ্বাস জানান, স্কুলে এখন গ্রীস্মকালিন ছুটি চলছে। এই সুযোগ নিয়ে চেয়ারম্যান এই গ্রামের প্রভাবশালি ব্যক্তি বিদ্যুত রায়কে দিয়ে গাছগুলো কাটিয়েছেন বলে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে চেয়ারম্যান বা বিদ্যুত রায় কেউ বিদ্যালয়ের কারো সঙ্গে আলোচনা করেননি।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অসিত কুমার বিশ্বাস জানান, স্কুলে একটি পরিচালনা কমিটি রয়েছে। তাদেরকে কোন কিছু না জানিয়ে গোপনে গাছ কেটে ফেলার ঘটনাটি দু:খজনক। বিধায় বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলে চেয়ারম্যান গাছগুলো কাটলেও নিয়ে যেতে পারেননি।

এদিকে গোপনে গাছ কাটার বিষয়ে অভিযুক্ত বেরইল পলিতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মহব্বত আলী বলেন, দুয়েকটি গাছ কাটার জন্যে কারো কাছে অনুমতি নেওয়ার দরকার নেই। তাছাড়া রাস্তা নির্মাণের সুবিধার্থে গাছগুলো কাটা হয়েছে। অনুমতি নিতে গেলে সময় সাপেক্ষ বিষয় বলেই তিনি গাছ কাটতে নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে স্কুলের কিছু বলার নেই।

মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, সরকারি সম্পত্তির গাছ একক সিদ্ধান্তে কারো কাটার অধিকার নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo_image
সম্পাদক: জাহিদ রহমান
নির্বাহী সম্পাদক: আবু বাসার আখন্দ
প্রকাশক:: জাহিদুল আলম
যোগাযোগ:
পৌর সুপার মার্কেট ( দ্বিতীয় তলা), এমআর রোড, মাগুরা।
ফোন: ০১৯২১১৬১৬৮৭, ০১৭১৬২৩২৯৬২
ইমেইল: maguraprotidin@gmail.com