প্রথম পাতা » Featured » পূণ্যতিথি মহালয়া : শারদীয়া দূর্গাপুজার দেবীপক্ষের যাত্রা শুরু

পূণ্যতিথি মহালয়া : শারদীয়া দূর্গাপুজার দেবীপক্ষের যাত্রা শুরু

পূণ্যতিথি মহালয়া : শারদীয়া দূর্গাপুজার দেবীপক্ষের যাত্রা শুরু

অরুন শীল: যা চন্ডি মধুকৈটভারী, দৈত্য দলনী, যা মহিষমর্দিনী, যা দূর্গে চন্ড মুন্ডোমালিনী,যা রক্ত বিজশ্বরী,শক্তি সুন্দরী সুন্দর দৈত দলনীযা আশ্বিনের শারদ প্রাতে বেঁজে উঠেছে আলোক মঞ্জিল, ধরনীর বর্হিআকাশেঅন্তরিত মেঘমালা, প্রকৃতির অন্তর আকাশে জাগরিত জোর্তিময়ী জগৎমাতার আগমন বার্তা, আনন্দময়ী মহামায়ার পদ্ধধ্বনি অসিম ছন্দে বেজে ঊঠে রুপলোক রশলোকে আনে নবভাব মাধুরীর সঞ্জিবন, ত্রাহি আনান নন্দিতা শামলী মাতৃকার চিন্ময়ীকেমৃন্ময়ীকে আবাহন। আজ শক্তিরুপীনি বিশ্বজননীর শারদও শ্রীমন্ডিত প্রতিমা মন্দিরে মন্দিরে ধ্যানগ্রহিতা। মহামায়াসনাতনী শক্তিরুপা গুনাময়ীহে ভগবতী মহামায়া তুমিই ত্রিগুনাতিকা, তুমিই রজগুনে ব্রহ্মার গৃহিনী বাগদেবী,শপ্তগুনে বিহ্মœুর পতিœ লহ্মি, তমগুনে শিবের বনিতা পাবর্তী,আবার ত্রিগুনাতিত তুমিই অর্নিবচ্চনিয়া, আবার দেব ঋষি কণ্যা কাত্যায়নের কণ্যা কাত্যায়নী, তিনিই কণ্যাকুমারী আখ্যাতা দূর্গে, তিনিই দাক্ষ্যয়নি সতি, তিনিই আদিশক্তি, দেবী দূর্গা নিজদেহ সম্ভুত তেজপ্রবাহে শত্রুদহনকালে অগ্নিবর্ণা, অগ্নি লোচনা, এই উষা লগ্নেহে মহাদেবী তোমার উদ্বোধনে প্রানের ভক্তিরশে আলোকিত হোক দিকে দিকে, হে অমিতজ্যোতি, হে মা দুর্গা, তোমার আবির্ভাবে ধরনী হোক প্রাণময়ী, জাগো জাগো মা। জাগো দুর্গা, জাগো দশপ্রহরণ ধারিণী, অভয়াশক্তি বল প্রদায়নী তুমি জাগোদেবী প্রসীদ পরিপালয়ে নো হরি ভীতে: নিত্যং যথাসুরবধদিধনৈব সদ্য: পাপানি সর্বজগতাঞ্চ শমং নয়াশু উৎপাতপাকজনিতাংশ্চ মহোপসর্গানা। পূত পবিত্র এই আহবানের মধ্যে দিয়ে আজ দিবাগত রাতের শেষে ভোরে (১২ অক্টোবর সোমবার)সারাবিশ্বে পালিত হবে পূণ্য তিথি মহালয়া। আকাশবাণী কলকাতা থেকে প্রচারিত হবে মহিষাসুরমর্দ্দিনী। বাণী কুমারের রচনা প্রবর্তনায় মাতৃসাধক বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের অমর কন্ঠের গ্রন্থনা শ্লোক পাঠে আবাহন হবে জগৎ জননী দেবী দূর্গার। দূর্গায়ে দূর্গপারায়ৈ সারায়ৈ সর্ব্বকারিণ্যৈ, খ্যাত্যৈ তথৈব্য কৃষ্ণায়ৈ ধুম্রায়ৈ সতত: নম:- মাতৃবন্ধনার আহবানে পবিত্র পূণ্যতিথি মহালয়া। শারদীয় দূর্গাপুজার সপ্তাহকাল পূর্বে মায়ের আরাধনা বন্ধনায় মহালয়া পালিত হবে। শাস্ত্রমতে মহালয়া হচ্ছে একটি অমাবস্যা তিথি, তিথিতে সাধারনত পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধ তর্পণ করা হয়। দিন তর্পণ করলে পিতৃপুরুষরা নরক যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেয়ে আমাদের আর্শিবাদ প্রদান করেন। এছাড়া মহালয়ার দিনে দেবী দূর্গার বোধন করা হয়,বোধন অর্থ জাগরণ। তাই মহালয়ার পর দেবীপক্ষের/শুক্লপক্ষের প্রতিপদে ঘট বসিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার সুচনা করা হয়। শ্রাবন থেকে পৌষ ছয় মাস দক্ষিনায়ণ,দক্ষিণায়ণ দেবতাদের ঘুমের কাল। তাই বোধন করে দেবতাদের জাগ্রত করা হয়। মহালয়ার পর প্রতিপদে যে বোধন হয় সে সময় সংকল্প করে দুর্গাপূজার আয়োজন চলে। একে বলে কল্পরম্ভা, যদিও ষষ্ঠি থেকে পূজার প্রধান কার্যক্রম শুরু হয় তাই বলা হয় ষষ্ঠাদিকল্পরম্ভা। এবং সপ্তমী থেকে বিগ্রহতে। প্রতিপদ থেকে শুধু ঘটে পূজো চন্ডী পাঠ চলে।

মহালয়ার ইতিহাস:শ্রী শ্রী চন্ডি গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ের কাহিনী অনুসারে:- প্রলয়কালে পৃথিবী এক বিরাট কারণসমুদ্রে পরিণত হলে শ্রীবিষ্ণু সেই সমুদ্রের উপর অনন্তনাগকে শয্যা করে যোগনিদ্রায় মগ্ন হলেন। এই সময় বিষ্ণুর কর্ণমল থেকে মধু কৈটভ নামে দুই দৈত্যে নির্গত হয়ে বিষ্ণুর নাভিপদ্মে স্থিত ব্রক্ষ্মাকে বধ করতে উদ্যত হল। ভতি হয়ে ব্রম্মা বিষ্ণুকে জাগরিত করবার জন্য তাঁর নয়নাশ্রিতা যোগনিদ্রাকে স্তব করতে লাগলেন। šষ্টা হয়ে দেবী শ্রীবিষ্ণুকে জাগরিত করলে তিনি পাঁচ হাজার বছর ধরে মধু কৈটভের সাথে মহাযুদ্ধে রত হলেন। পতিৃপক্ষ আর দবেীপক্ষরে সন্ধক্ষিণ হচ্ছে মহালয়া৷ ভাদ্র মাসরে কৃষ্ণা প্রতপিদ  শুরু হয়ে পরর্বতী অমাবস্যা র্পযন্ত সময়কে পতিৃপক্ষ বল৷ পুরাণ মতে ব্রহ্মার নির্দেশে পতিৃপুরুষরা এই ১৫ দনি মনুষ্যলোকরে কাছাকাছি চলে আসনে৷ তাই এই সময় তাঁদরে উদ্দেশ্যে কিছু র্অপণ করা হলে তা সহজেই তাদের কাছে পৌছায়। তাই গোটা পক্ষকাল ধরে পতিৃপুরুষদেব স্মরণ মননের মাধ্যমে র্তপণ করা হয়৷ যার চূড়ান্ত প্রকাশ বা মহালগ্ন হল এই মহালয়া৷ অনেকেই এই দিনটিকে দেবীপক্ষের সূচনা বলে থাকেন। যদিও এটি একটি জনপ্রিয় ভ্রান্ত ধারণা৷ মহালয়া পতিৃপক্ষরে শেষ দিন৷ পরের দিন শুক্লা প্রিতিপদে দেবীপক্ষের সূচনা হয়৷ সেই দিন থেকে কোজাগরী র্পূণমিা পযন্ত ১৫ দনিই হল দবেীপক্ষ৷ মহালয়া শব্দরে র্অথ অনুসন্ধান করলে দখো যাবে মহান+আলয় =মহালয়৷ সঙ্গে স্ত্রীকারাত্মক যুক্ত হয়ছে৷ে আবার মহ শব্দরে র্অথে পাই পুজা এবং উত্সব৷ র্অথাত্‍ মহালয়া একটি র্অথে দাঁড়ায় পুজা বা উত্সবরে আলয়৷ অন্যদকি,েমহালয়া বলতে পতিৃলোককে বোঝায়৷ যখোন, বদিহেী পতিৃপুরুষ অবস্থান করনে৷ সক্ষেত্রেে পতিৃলোককে স্মরণরে অনুষ্ঠানই মহালয়া৷ এই দনিটকিে পতিৃপূজা মাতৃপূজার পরম লগ্ন বলে মনে করা হয়৷

মহালয়ার মূল মন্ত্ররে দকিে যদি তাকানো যায়, তাহলে তারমধ্যে এক বশ্বি‍জনীন চতেনা লক্ষ্য করা যাব৷ে সখোনে বলা হচ্ছ, ময়া দত্তনে তোয়নে তৃপ্যান্ত ভুবনত্রয়ম৷ র্অথাত্‍ র্স্বগ, র্মত, পাতাল এই তনি ভুবনকইে এই মন্ত্ররে মাধ্যমে স্মরণ করা হয়৷ এই মন্ত্রোচ্চারণ করে তনি গণ্ডুষ জল অঞ্জলি দওেয়াই রীত৷ি এর মাধ্যমে বদিহেী পতিৃপুরুষ তাঁদরে র্পূবপুরুষকে স্মরণ করা হয়৷ এখানে কোনও জাতপাত বা শ্রণেি বষৈম্য নইে৷ আত্মীয়অনাত্মীয় ভদে নইে৷ হন্দিুঅহন্দিু দ্বন্দ্ব নইে৷ দশেকালরে সীমা নইে৷ আব্রহ্ম স্তম্ভ র্পযন্তং জগত্‍ তৃপ্যতু৷ এই মন্ত্র উচ্চারন করলে ব্রহ্ম থকেে পদতলে তৃণ র্পযন্ত সকলরে উদ্দশেে র্তপণ করা হয়৷ মহালয়ার এই র্তপণ ভারতীয় সংস্কৃতরি অন্যতম ঐতহ্যি, যা র্সবজনীন তথা বশ্বি‍জনীন চতেনা থকেে উদ্ভুত৷

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo_image
সম্পাদক: জাহিদ রহমান
নির্বাহী সম্পাদক: আবু বাসার আখন্দ
প্রকাশক:: জাহিদুল আলম
যোগাযোগ:
পৌর সুপার মার্কেট ( দ্বিতীয় তলা), এমআর রোড, মাগুরা।
ফোন: ০১৯২১১৬১৬৮৭, ০১৭১৬২৩২৯৬২
ইমেইল: maguraprotidin@gmail.com