প্রথম পাতা » Featured » শ্রীফলতলায় ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষনের পর হাসপাতালে নিতে বাধা

শ্রীফলতলায় ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষনের পর হাসপাতালে নিতে বাধা

শ্রীফলতলায় ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষনের পর হাসপাতালে নিতে বাধা

প্রতিদিন ডেস্ক : শ্রীফলতলা গ্রামে চতুর্থ শ্রেণীর এক মাদরাসা ছাত্রীকে রবিবার সকালে গণধর্ষনের পর ছয়ঘন্টা বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে আজমপুর আসমানিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী এবং এক হতদরিদ্র ভ্যান চালকের কন্যা।

মেয়েটির মা জানান, এক নিকটাত্মিয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে সে ও পরিবারের অন্যান্যরা ছোট মেয়েটিকে বাড়িতে রেখে সকাল ১০টার দিকে পাশের গ্রামে যায়। কিন্তু সেখান থেকে বেলা ১১ টায় বাড়ি ফিরে তারা ঘরের মধ্যে শিশু কন্যাটিকে রক্তাক্ত জখম ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় তারা মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের প্রতিবেশি কয়েকজন বাধা দেয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে মেয়েটির অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকায় প্রতিবেশি অন্যান্যদের সহায়তায় বিকাল সাড়ে ৪টায় মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মেয়েটির মামা জানান, বাড়িতে অন্যান্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিবেশি সাবুর আলি, মিজানুর ও মহিদুর নামের তিন যুবক শিশুটিকে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। কিন্তু এ ঘটনার পরও জানাজানি হওয়ার ভয়ে বিকাল পর্যন্ত ধর্ষণকারিরা মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেয়নি।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাগুরা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিত্সক কৃষ্ণদাস বিশ্বাস জানান, মেয়েটির শরীর থেকে রক্তক্ষরণ ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। তবে তখন পর্যন্ত গাইনি ডাক্তার হাসপাতালে না আসায় তার সর্বশেষ অবস্থা কি তা বলা সম্ভব নয়।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজমল হুদা জানান, ধর্ষণের খবর পেয়েছেন। তবে এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। তাছাড়া ধর্ষণের পর বাড়িতে আটকে রাখার অভিযোগও তিনি পাননি। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Logo_image
সম্পাদক: জাহিদ রহমান
নির্বাহী সম্পাদক: আবু বাসার আখন্দ
প্রকাশক:: জাহিদুল আলম
যোগাযোগ:
পৌর সুপার মার্কেট ( দ্বিতীয় তলা), এমআর রোড, মাগুরা।
ফোন: ০১৯২১১৬১৬৮৭, ০১৭১৬২৩২৯৬২
ইমেইল: maguraprotidin@gmail.com