আজ, মঙ্গলবার | ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং | রাত ১১:৪৮

ব্রেকিং নিউজ :
সফল করোনাযোদ্ধা হিসেবে মানবাধিকার পুরস্কার পেলেন শ্রীপুর থানার ওসি সরকারি নিবন্ধনের অনুমোদন পেলো ‘মাগুরা প্রতিদিন ডটকম’ মাগুরায় হামলা-পালটা হামলার ঘটনায় এড. কল্লোলসহ ৪২ জনের নামে মামলা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে ফতোয়াবাজির প্রতিবাদে মাগুরায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের মানববন্ধন মুসলিম বিশ্বের দেশে দেশে মসজিদের সামনেই ভাস্কর্য! মাগুরাবাসি আবার পাচ্ছে রেডক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান মাগুরায় জেলা কৃষকলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাগুরায় এনজিওর পক্ষ থেকে ৩৪৮ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীর মধ্যে খাদ্য সামগ্রি বিতরণ মাগুরায় হাজার ছাড়ালো করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখা মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাংবাদিকদের সাথে ইয়েস বিডি মিডিয়ার কর্মশালা
হাসলে কী হয়! হাসি কীভাবে?

হাসলে কী হয়! হাসি কীভাবে?

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : হাসতে আমরা সবাই ভালোবাসি।কিন্তু কখনও ভেবে দেখা হয়নি কেনো আমরা হাসি, কী জন্যে আমরা হাসি।

দেখি কীভাবে হাসি আমাদের মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে। প্রতিবার আমরা যখন হাসি, তখন আমাদের ফেসিয়াল মাসল যা হাসি প্রকাশের জন্য দায়ী সেটি মস্তিষ্কে ভালো-অনূভুতি প্রেরণ করে। হাসির এই কাজটি আপনার নিউরাল মেসেজিংযে (neural messaging) সক্রিয় করে তোলে। ফলে আপনার শরীর ও মন ভালো থাকে এবং ভালো লাগা অনূভুতি কাজ করে।

হাসার সময় বা ফেসিয়াল মাসলে টান পড়ার সময়,মস্তিষ্ক সে সিগনাল গ্রহন করে।এর ফলে মস্তিষ্ক নিউরোপেপটাইড ক্ষরণ শুরু করে দেয় (নিউরোপেপটাইড হলো সোজা ভাষায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনু যারা নিউরনগুলির পারস্পরিক যোগাযোগের পথ সহজ করে দেয়)। আমাদের যেকোনো ভাব প্রকাশে যেমনঃরাগ,দুঃখ,ভালোবাসা,হতাশা প্রকাশে এই নিউরোপেপ্টাইডের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি যখন হাসেন, তখন ফেসিয়াল মাসলে থাকা নিউরোট্রান্সমিটারগুলো ভালো লাগা অনূভুতিটি মস্তিষ্কে প্রবাহিত করে। এবং মস্তিষ্ক ও প্রতিক্রিয়া স্বরূপ শরীরের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ডোপামিন হরমোন, এন্ডারোফিন্স এবং সেরাটোনিন হরমোন নিসৃঃত করে। এই হরমোনগুলো আপনার দেহকে শুধু শিথিলই করেনা, আপনার হার্টবীটরেট ও ব্লাডপ্রেসারকেও স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসে। হাসির জন্য দায়ী এই এন্ডারোফিন্স (endorphins) হরমোন প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক হিসেবে ও কাজ করে।

তাইতো ডাক্তাররা বলেন,বিভিন্ন পরিস্থিতিতে হাসিখুশি থাকতে। এর ফলে আপনার মানসিক ও শারীরিক বেদনা কমে যায়। হাসির ফলে নিসৃঃত অন্য একটি হরমোন সেরাটনিন (serotonin) মূলত অ্যান্টি-ডিপ্রেসেড মেডিসিন বা মুড লিফটার (mood-lifter) হিসেবে কাজ করে। এই সেরোটোনিন এর প্রভাবে আপনার ব্রেইন নিজেকে রিলাক্সড ভাবতে শুরু করে।অ্যান্টি-ডিপ্রেসেডের যে সকল ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলোর প্রত্যেকটির কাজ মূলত মস্তিষ্কে সের হরমোন নিঃসরণের হারকে ত্বরাহ্নিত করা। তাই শুধু ডাক্তার কিংবা গাদাগাদা ওষুধপত্র না কিনে হাসতে শুখুন।
হাসি কিভাবে আমাদের দেহে প্রভাব ফেলে হাসি, সৃষ্টিকর্তার দেওয়া মানুষের জন্য এক বিশেষ উপহারস্বরূপ।

পৃথিবীর কোনো প্রানীই হাসতে পারেনা একমাত্র মানুষ ছাড়া।
হাসিখুশি থাকা একটি সংক্রামক আচরন।আপনি যখন কাউকে হাসিখুশি দেখবেন, তখন স্বাভাবিকভাবেউ সেই ব্যাক্তিকে আপনার ভালো লাগবে, আকর্ষনীয় লাগবে।এবং তাকে দেখে আপনার নিজের অজান্তেই হাসি পেয়ে যাবে,আপনি রিলাক্সড ফিল করবেন।

নিউরোপসাইকোলিয়া জার্নালে একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে,আপনি যখন কোনো আকর্ষণীয়, হাস্যময় কোনো চেহারা দেখেন, তখন আপনার অরবিটোফ্রন্টাল কর্টেক্স (চোখে দেখার জন্য নিয়োজিত স্নায়ু) মস্তিষ্ক রিলাক্সড অনূভুতি পাঠায় এবং সে অনুযায়ী মস্তিষ্ক হরমোন নিঃসরন করে (সে ব্যাপারে বিস্তারিত আরেকদিন আলোচনা করা যাবে)।

আবার ২০১১ সালে স্কটল্যান্ড এ অ্যাবারডিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেস রিসার্চ ল্যাবরেটরির গবেষকদের তথ্যমতে _কিছু পুরুষ ও নারীকে ড্যাশবোর্ড থেকে একই ব্যাক্তির হাসিখুশির ছবি ও অন্যদিকে সাধারন মুখভঙ্গি বিষিস্ট ছবি রাখা হয়। বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তারা হাসিখুশি মুখভঙ্গিটি অধিকসংখ্যকবার পছন্দ করেছেন। এর থেকেই বুঝা যায় হাসিখুশি থাকা আমাদের দেহের উপর কেমন প্রভাব ফেলে।

কিভাবে হাসিখুশি কোনো ব্যাক্তির চারপাশের পরিবেশকে প্রভাবিত করে
আগেই বলেছি হাসি একটি সংক্রামক আচরন। যখন আপনি হাসবেন, তখন আপনার পাশে থাকা লোকটিও বিনা কারনে হাসতে থাকবেন বা হাসার চেস্টা করবেন।

একটি সুইডিশ স্টাডির ফল এমন আসে যে, কিছু মানুষকে একই ব্যাক্তি জয়,রাগ,ভয়,আশ্চর্যের মুখভঙ্গির ছবি দেখানো হয়। প্রায় ৯৫% মানুষ হাসির মুখভঙ্গি ছবিটি পছন্দ করেন। যার ফলে সিধান্ত এ আসা যায়, হাসিখুশি থাকার উপরেও নির্ভর করছে আশেপাশের মানুষ আপনাকে কেমন ভাবছে। সংগৃহিত

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin. 2018-2020
IT & Technical Support : BS Technology